হে বস্ত্রাবৃত! (হে কম্বলওয়ালা)!
আবু উমামা (রা) বর্ণনা করেছিলেনঃ একদিন প্রথম জাম্রাহ (শয়তান কে পাথর মারা) এর সময় এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা) কে জিজ্ঞাস করলেন, “ইয়া, রাসুলুল্লাহ! সবচেয়ে উত্তম জিহাদ কোনটি?”, রাসুল চুপ ছিলেন। যখন দ্বিতীয়বার জাম্রাহ ছুঁড়েছিলেন রাসুলুল্লাহ, লোকটি একই প্রশ্ন আরেকবার করলেন এবং রাসুল আবারো চুপ করে ছিলেন। তারপর তৃতীয় জাম্রাহ শেষ করে যখন ঘোড়ার পিঠে রাসুল উঠছিলেন, তখন উনি বললেনঃ “প্রশ্নকর্তাটি কই গেল?” সাহাবাটি বললঃ “এইতো আমি রাসুলুল্লাহ!”, রাসুল তারপর প্রশ্নর উত্তরটি দিলেনঃ
“অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য কথা বলা” [ইবন মাযাহ]
তাই যখন জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়, মানুষজন অত্যাচারিত হয়, মানুষের সম্পদ লুণ্ঠিত হয় তখন প্রকাশ্যে এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এই হাদিস মোতাবেক ওয়াজিব (وجوب), এবং এরুপ ওয়াজিব কে বলা হয় “ওয়াজিব মু’হাত্তাম” (বিকল্প ছাড়া বাধ্যবাধকতা/ওয়াজিব)। যদি হুকুম শারিয়াহ মুসলমানদের হাতে অন্য কোন বিকল্প দিতো এই অত্যাচারের বিপরীতে আর অন্যরূপ কি ভুমিকা (কিয়াম) পালন করা যায়, তাহলে সেরূপ ওয়াজিব কে বলা হতো “ওয়াজিব মুখাইয়্যার” (বাধ্যতামূলক নয় এমন ওয়াজিব) – এবং এরুপ ওয়াজিব এর ক্ষেত্রে শারিয়াহ “মুকাল্লাফ” (আইনগত ভাবে যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দায়ী) কে ওয়াজিব হুকুমের অপশন দেয়।
তাই আমরা দেখি অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে শক্ত ভাষায় কথা বলা এবং তাদের জবাবদিহি করা (মুহা'সাবা আল-হুকাম) আল্লাহর (সু) নির্দেশ যা “ওয়াজিব মু’হাত্তাম” (বিকল্প ছাড়া ওয়াজিব)। এবং শুধু এটি ওয়াজিব হুকুমই নয়, বরং একে রাসুলুল্লাহ বলেছেন “সর্বোত্তম জিহাদ” (أَفْضَلَ الْجِهَادِ)। আবু সাইদ (রা) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেনঃ
“সবচেয়ে উত্তম জিহাদ হল অত্যাচারী শাসকের সামনে হক কথা বলা” [মুসনাদ আহমাদ]।
রাসুলুল্লাহ (সা) শাসকদের জবাবদিহির এই কাজটিকে এতই গুরুত্ব দিয়েছেন যে তিনি বলে গেছেন এর জন্য যত কষ্টই হোক না কেন তা সহ্য করতে হবে, এমনকি মৃত্যু হলেও এবং এরুপ মৃত্যুকেও উনি বলেছেন “সাইয়েদু শুহাদা” (সর্বোত্তম শহীদ):
“শহীদদের ভেতর শ্রেষ্ঠ (سيد الشهداء) হল হামযা এবং সে ব্যক্তি যে একজন অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে দাঁড়ালো, তাঁকে সত্যের নির্দেশ দিল এবং (মুনকার করতে) নিষেধ করল, এবং একারনেই তাকে খুন করা হল” [আল-হাকিম]।
তাই সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলা খুব সহজ কাজ না; অনেকেই সরে আসে জীবন ও পরিবারের ভয়ে। এই কাজকে “ মুকাওওয়ামা জিহাদ” (প্রতিরোধ জিহাদ) এর বিপরীতে দার করিয়ে ওয়াজিব পালনকারী দু'আতদের খাটো করা মোটেও শারিয়াহ সম্মত কোন কাজ হতে পারে না। এর গুরুত্ব কম হলে, আল্লাহ কখনো একে “সর্বোত্তম জিহাদ” বলতেন না এবং এ কারণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিকে “সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদ”ও বলতেন না। বিনা অস্ত্রে শুধুমাত্র “কথা” দিয়ে অত্যাচারী শাসকের মুখোমুখি দাঁড়ানো, খালি হাতে RAB/Police এর বুলেট ফেইস করা এতো সহজ না; যা অনেকেই ভেবে থাকেন। তাই এরুপ তুলনা করা খুবই অনুচিত যার উৎপত্তি *আবেগ* থেকে, শারিয়াহ থেকে নয়; দু’আতদের কষ্ট, ত্যাগ কে স্বীকৃতি দিতে শিখুন সে যে দলেরই হোক না কেন। আর এ চিন্তা করাও ভুল হবে যে “হাদিসগুলো মাদানী জীবনে বর্ণিত হয়েছে যা দারুল কুফর এর শাসকদের জন্য প্রযোজ্য হবে না”, কারন এ হাদিসগুলো বর্ণিত হয়েছে “মুতলাক” (UNRESTRICTED) আকারে এবং অন্য কোন নুসুস (দলীল) দ্বারা হাদিসের নির্দেশগুলোকে শুধু বিশেষ প্রকার শাসক বলে রাসুলুল্লাহ “মুকাইয়্যাদ” (RESTRICTED) করে যান নি।
পাশাপাশি সকল দল-মতের দু’য়াতদের প্রতি নাসিহা থাকবে দা’ওয়াহ এর ধরন নিয়ে মুক্ত আলোচনা এবং গবেষণা চালিয়ে যেতে কারন “অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে হক কথা বলা” হাদিসগুলো ওয়াজিব হুকুম আকারে এসেছে। “আমাল বিল মা’রুফ” (ভাল কাজের আদেশ) এবং “ওয়া নাহি আনিল মুনকার” (অসৎ কাজে বাধা) এর আয়াতে আল্লাহ “আল” (আল-মা’রুফ, আল-মুনকার) ব্যবহার করেছে যার অর্থ “সব ভাল কাজ, সব মন্দ কাজ”। তাই যদি বলেন “আমিতো মানুষকে ‘মা’রুফ’ এর দিকে ডাকি” কিন্তু আপনার এই ডাকাটা “রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড মুক্ত”, তাহলে এতে দা’ওয়াহর পরিপূর্ণ হক আদায় হয় না। কারন “আমাল বিল মা’রুফ” (ভাল কাজের আদেশ) এবং “ওয়া নাহি আনিল মুনকার” (অসৎ কাজে বাধা) এর সাথে রাজনৈতিক কর্মসূচী (সিয়াসা) ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সাইয়েদ কুতুব (র) সরকার দ্বারা খুন হয়েছিলেন, শেইখ আব্দুল আযিয বাদরি ইরাকের কমিউনিস্ট বাথ পার্টি ও সাদ্দামের স্বরূপ উন্মোচিত করে দেওয়ার কারণে তাঁর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাদের এসব কাজই ছিল প্রকৃত দা’ওয়াহ যা রাজনৈতিক। ইমাম মালিক (র) একবার ততকালিন ওয়ালির একটি কাজের বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়েছিলেন এই বলে যেঃ “জোরপূর্বক শপথ নেয়া হলে, তা হবে বাতিল”। ফতওয়াটি শোনার পর ওয়ালি তাঁকে একটি গাধা দ্বারা বেঁধে মদিনার রাস্তায় টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, এবং ওই টেনে নিয়ে যাওয়া অবস্থায়ও ইমাম মালিক চীৎকার করে বলছিলেনঃ “জেনে রাখ আমি কে! আমি মালিক ইবন আনাস এবং জোরপূর্বক শপথ নেয়া হলে, তা হবে বাতিল, বাতিল, বাতিল...”
তাই শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান (মাওাকেফ) ছাড়া কোন দা’ওয়াহ পরিপূর্ণ হতে পারে না। আল্লাহ বলেছেনঃ “হে ঈমান্দারগন! তোমরা পরিপূর্ণরুপে ইসলামে প্রবেশ করো” [২:২০৮]
Imtiaz Salim
কিছু ভাই আছেন যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শরীয়তের যেকোন বিষয়ের ভুল/সঠিক নির্ধারণ করেন নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের উক্ত বিষয়ের মাস্টারডিগ্রি বা পি.এইচ.ডি সার্টিফিকেট দিয়ে। ব্যাপারটা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে শরীয়তের যে কোন বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেটধারীরাই একমাত্র অথরাইজড ডিলার এন্ড ডিস্ট্রিবিউটার... আর বাদ বাকি সবাই ধইঞ্চা !!!
সার্টিফিকেটের ভারে ন্যূজ হাইলি কোয়ালিফাইড এই ভাইয়েরা অপর ভাইকে ইসলাহা বা ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে দেয়ার নামে যা করছেন তা মূলতঃ উক্ত ভাইয়ের ইজ্জতের ফালুদা বানিয়ে বিগত চৌদ্দশত বছরের তার কৃত ভুল-ত্রুটি পাবলিসিটির একটা আনুষ্ঠানিক হালখাতা মাত্র!!! অর্থাৎ একজন দীনী ভাইকে খোঁচা দেয়ার যত অ্যাঙ্গেল আছে, হেয় প্রতিপন্ন করার যত ডাইমেনশন আছে আর নানাবিধ মানবীয় দুর্বলতাসহ ভুলত্রুটি পাবলিসিটি করার যত উপায় ও কৌশল আছে সব অবলম্বন করে মোটামুটি ঝাল মিটানো শেষ হবার পরে মিষ্টি হেসে বলবেন- "ইসলাহার উদ্দেশেই এতকিছু বললাম, কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা বা এমন কোন উদ্দেশ্যে নয়..."
নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের ডজন ডজন সার্টিফিকেট, উচ্চ থেকে উচ্চতর ডিগ্রী উইথ দীর্ঘ কয়েক যুগের সাধনা/অভিজ্ঞতাকে যারা সিরাতুল মুস্তাকিমের জন্য অলঙ্ঘনীয় মানদণ্ড নির্ধারণ করার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন সেসকল ভাইদের জন্য আফসোস উইথ দোয়া!!!
জামায়াত ইসলামের পোলাপান কতটা নিচে নামতে পারে । কত টুকু ইসলামী জ্ঞ্যান এদের মধ্যে আছে , সেটা আপনি ধারনা করতে পারবেন না ।
যারা অনলাইনে জ্বিহাদ এবং শরিয়তের দাওয়াত দিয়ে যায় , তাদের এক সময় 'কম্বল মুজাহিদ' বলে কটাক্ষ্য করা হয় । এভাবে চলে দীর্ঘ দিন । যেখানেই যাই , সেখানেই এই এক কথাই । কিন্তু না , যারা দ্বীনের দাওয়াত দেয় , তারা পাছে লোকে কিছু বলে , সেটার পরোয়া করে না । তেমনি আমাদের ভাই গুলো জ্বিহাদ এবং শরিয়তের দাওয়াত দিয়েই যাচ্ছে , দিয়েই যাচ্ছে , কোন কিছুর পরোয়া না করে ।
তারা [জামায়াত] কোথায় সত্য দাওয়াত গ্রহন করবে , সেটা না করে , তাদের মনের হিংসার আগুন দিগুন হয়ে জ্বলা শুরু করে । যার দরুন তারা এখন 'কম্বল মুজাহিদ' বলার চেয়েও খারাপ ভাষা ব্যবহার করছে ।
আজ দেখলাম , এক জামায়াত সমর্থক "মুজাহিদ" শব্দ কে "চুদাহিদ" বলে ব্যঙ্গ করছে । এর আগেও এক জামায়াত সমর্থক আল-কায়দার নাম নিয়ে কটাক্ষ্য করতে গিয়ে 'আল এর জায়গায় ''বাল'' শব্দ ব্যবহার করছে , মানে ''বাল-কায়দা'' । অথচ প্রতিটা মুসলিম মন থেকে বিশ্বাস করে , দুনিয়ার বুকে তালেবান আর আল-কায়দা না থাকলে মুসলিমের অস্তিত্ব হয়তো আল্লাহ্ বিলিন করে দিতেন । এছাড়াও , পবিত্র আল্লাহ্'র পবিত্র নামের আগে "আল" শব্দ ব্যবহার আছে । কোরআনের অনেক সুরায় "আল" শব্দ ব্যবহার করা হইছে । অথচ তারা সেই আল শব্দের ব্যঙ্গ করছে 'বাল বলে । আজ আবার মুজাহিদ শব্দের ব্যবহার করছে 'চুদাহিদ' বলে । অথচ , ১৪৩৫ বছর থেকে মুজাহিদররা আল্লাহ্'র রাহে লড়াই করছে । এই 'চুদাহিদ' শব্দ কি সে অহুদের যুদ্ধে শহীদ সেই সব মুজাহিদদের কেউ ইঙ্গিত করলো ? হয়তো অস্বীকার করবে , বলবে তাদের বলি নাই , আপনাদের বলছি ।
আমাদের বলেন আর তাদের বলেন , শব্দ খানা কিন্তু আমাদের একান্ত মালিকাধিন না । এই শব্দ খানা যুগ যুগ ধরে , শতাব্দী শতাব্দী ধরে মুসলিম মুজাহিদদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে । অথচ , আজ আপনারে সেই শব্দের অপমান করলেন ।
নাস্তিক গুলো রাসুল (সঃ) কে মহাউন্মাদ [নাউজুবিল্লাহ] , আল্লাহ্'কে আললা [নাউজুবিল্লাহ] বা এর চেয়েও খারাপ শব্দ ব্যবহার করে । আমি নাস্তিক আর জামায়াতের মধ্যে এক বিন্দু তফাৎ দেখতেছি না । যদি নাস্তিকদের জিবিত অবস্থায় কুকুর দিয়ে খাওয়ানো প্রয়োজন মনে করেন , তবে কেন জামায়াত'ও একই অপরাধে একই শাস্তির যোগ্য হবে না ?
⎝⏠⏝⏠⎠ মাস্টার মাইন্ড ⎝⏠⏝⏠⎠ মাইন্ড কিলার ⎝⏠⏝⏠⎠
গাযওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কিত হাদিস---- ****************************************** রাসুল (সা) এর আযাদকৃত গোলাম হযরত সাওবান (রা) বর্ণনা করেছেন,রাসুল (সা) বলেছেন "আমার উম্মতের দুটি দল আছে,আল্লাহ যাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে নিরাপদ করে দিয়েছেন । একটি হল তারা যারা হিন্দুস্থানের সাথে যুদ্ধ করবে,আরেক দল যারা ঈসা ইবনে মারইয়ামের সঙ্গী হবে । "(নাসাঈ,খণ্ড ৬,পৃষ্ঠা ৪২)
*আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত,রাসুল (সা) বলেছেন"অবশ্যই একটি দল হিন্দুস্থানের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ সেই দলের যোদ্ধাদের সফলতা দান করবেন,আর তারা রাজাদের শিকল/বেড়ি দিয়ে টেনে আনবে|এবং আল্লাহ সেই দলের যোদ্ধাদের ক্ষমা করে দিবেন এবং সে মুসলিমেরা ফিরে আসবে তারা ঈসা ইবনে মারইয়ামকে সিরিয়ায় (শাম) পাবে" (আল ফিতান,খণ্ড্র ১,পৃষ্ঠা ৪০৯)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন " আমি যদি গাযওয়াতুল হিন্দে অংশ গ্রহনের সু্যোগ পাই, তবে আমি আমার নতুন পুরাতন সকল সম্পদ বিক্রি করে দিব, এবং এতে অংশ গ্রহন করব, এরপর আল্লাহ আমাদের বিজয় দান করবেন এবং আমরা যখন সামে ফিরে যাব তখন আমি হব একজন নিশ্চিত (জাহান্নামের আগুন হতে) স্বাধীন আবু হুরায়রা এবং সেখানে (সামে) আমরা ঈসা (আঃ) এর সাথে মিলিত হব। (মুসনাদে ইসহাক, হাদীস নংঃ৪৭৭) ছাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসূল (সঃ) বলেছেন " উম্মাতের দুটি দলকে আল্লাহ জাহান্নামের আগুন থেকে হেফাজত করবেন একটি দল যারা হিন্দে যূদ্ধ করবে এবং এর একটি দল যারা ঈসা (আঃ) এর পক্ষে যুদ্ধ করবে। " ( মুসনাদে আহমদঃ ২২৪৪৯, সুনানে নাসাঈঃ ৩১৭৫ ) এখানে রাসুল (সা) এর বর্ণিত তৎকালীন হিন্দুস্থানের সীমারেখা বর্তমান (ভারত,নেপাল,শ্রীলংকা,বাংলাদেশ ও পাকিস্থান নিয়ে) | মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করি তিনি যেন আমাদের এই বরকতময় সময়ে বেচে থাকার ও গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্তানের চূড়ান্ত যুদ্ধে অংশ গ্রহন করার তৌফিক দান করেন । আমীন।
গাজাওয়ায়ে হিন্দ তথা হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে সংঘটিত জিহাদের বর্ননা ।
রাসুল (সা) একদিন পূর্ব দিকে তাকেয়ে বড় বড় করে নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন অবস্থায় এক সাহাবি জিজ্ঞাস করল, ইয়া রাসুল আল্লাহ্, আপনি এমন করছেন কেন ? রাসুল (সাঃ) বললেন আমি পূর্ব দিক থেকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি। সাহাবি (রাঃ) জিজ্ঞাস করলেন, ইয়া রাসুল আল্লাহ্ কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (সাঃ) বললেন পূর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিক ( যারা মূর্তি পূজা করে ) তাদের মাঝে একটি যুদ্ধ হবে, যুদ্ধ টা হবে অসম , মুসলিম সেনাবাহিনী সংখ্যায় খুব কম থাকবে, এবং মুশরিকরা থাকবে সংখ্যায় অধিক। মুসলিম রা এত মারা যাবা যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাঁকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে।
মুসলিম রা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে,
এক সারি এত বড় মুশরিক সেনাবাহিনী দেখে ভয় পেয়ে পালাবে ।
রাসুল (সাঃ) বললেন তারাই হোল জাহান্নামি।
আর এক ভাগ এর সবাই শহীদ হবেন।
শেষ ভাগ এ যারা থাকবে, তারা আল্লাহ্ আর উপর ভরসা করে যুদ্ধ করে যেতে থাকবে , এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন।
রাসুল (সাঃ) বলেছেন – এই যুদ্ধ, বদর এর যুদ্ধের সমতুল্ল। সুবাহানাল্লাহ।
উনি এর ও বলেছেন, মুসলিম রা যে জেখানেই থাকুক না কেন , সবাই যেন ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নাম থেকে মুক্ত ও স্বাধীন করে দিবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (নাসায়ী শরীফ খন্ড-১,পৃষ্ঠা-১৫২ ও তাবরানী)
এই হাদীসটি অন্য বর্ণনায় এভাবে এসেছে, রাসুল (সা) বলেছেন, আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে হিফাজত করবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (মুসনাদে আহমাদ হাদিস-২২২৯৫, খ-১৬ পৃষ্ঠা-২৯৫, বায়হাকী খ-৯,পৃষ্ঠা-১৭৬, নাসায়ী শরীফ জিহাদ অধ্যায়)
হযরত আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত। রাসূল (সা) বলেছেন, এ উম্মতের মধ্যে একটি মিশন সিন্ধু ও হিন্দুস্থান তথা ভারতের দিকে পরিচালিত হবে। আমি যদি এ অভিযান পেয়ে যাই এবং জিহাদ করে শহীদ হতে পারি তাহলে এমনটিই করব। আর যদি জীবিত ফিরে আসি তাহলে আমি মুক্ত স্বাধীন আবু হুরায়রা হয়ে যাব। আল্রাহ আমাকে দোযখের আগুন থেকে মুক্ত করে দিবেন। (মাসনাদে আহমাদ,হাদিস-৮৮০৮, খ-৯ পৃষ্ঠা-১১)
হযরত আবু হুরায়রা আরও বর্ণনা করেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ওয়াদা নিয়েছিলেন।আমি যদি এ অভিযান পেয়ে যাই আহলে আমি যেন আমার জান-মাল এতে ব্যয় করি। আর যদি আমি এ যুদ্ধে নিহত হই তাহলে সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদরুপে পরিগনিত হব। আর যদি জীবিত ফিরে আসি তাহলে আমি জাহান্নাম থেকে মুক্ত আবু হুরায়রা হয়ে যাব। (মাসনাদে আহমাদ,হাদিস-৭১২৮, খ-৬ পৃষ্ঠা-৫৩৩, সুনানে কুবরা, ইমাম নাসায়ী হাদিস ২/৪৩৮৩ খ-৩ পৃষ্ঠা-২৮)
আলোচ্য হাদিস সমূহে এন্টি ভারত মুসলিমের মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ যে মুসলিম ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিহত হবে সে হবে শ্রেষ্ঠ শহীদ। আর যে মুসলিম লড়াই করে জীবিত ফিরে আসবে, সে হবে জাহান্নাম হতে মুক্ত স্বাধীন মুসলিম। এ থেকে আরও প্রতিয়মান হয় যে, যদি কোন মুসলিম ভারতপন্থিদের হাতে নিহত হয় সেও শ্রেষ্ঠ শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। আর যদি কোন মুসলিম কোন ভারতপন্থির হাতে নির্যাতিত হবে, জখমী হবে তাহলে সেও জাহান্নাম হতে মুক্তি লাভ করবে ইনশাআল্লাহ ।
রাসূল (স.) বলেছেন খোরাসান অঞ্চল থেকে কলেমা সম্বলিত পতাকাবাহী এক দল এই যুদ্ধ শুরু করবে। পূর্ব দিকে আমরাও ও পড়ি এর মধ্যে , একসময় খোরাসান আমাদের অন্তর্ভুক্ত ছিল যা এখন নেই [ যখন বাংলাদেশ পাকিস্থানের অধীনে ছিল]।
আল্লাহ্ আমাকে ও আমাদের জীবিত রাখেন যেন ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার তৌফিক দান করেন।
কেননা আল্লাহ বলেছেন,,
তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য তোমরা যথাসাধ্য সাজ-সরঞ্জাম শক্তি ও ঘোড়া প্রস্ত্তত রাখবে। এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের ভীত-সন্ত্রস্ত্র করে দেবে। [সূরা আনফাল ৬০]
উনি এর ও বলেছেন, মুসলিম রা যে জেখানেই থাকুক না কেন , সবাই যেন ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নাম থেকে মুক্ত ও স্বাধীন করে দিবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (নাসায়ী শরীফ খন্ড-১,পৃষ্ঠা-১৫২ ও তাবরানী)
এই হাদীসটি অন্য বর্ণনায় এভাবে এসেছে, রাসুল (সা) বলেছেন, আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে হিফাজত করবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (মুসনাদে আহমাদ হাদিস-২২২৯৫, খ-১৬ পৃষ্ঠা-২৯৫, বায়হাকী খ-৯,পৃষ্ঠা-১৭৬, নাসায়ী শরীফ জিহাদ অধ্যায়)
হযরত আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত। রাসূল (সা) বলেছেন, এ উম্মতের মধ্যে একটি মিশন সিন্ধু ও হিন্দুস্থান তথা ভারতের দিকে পরিচালিত হবে। আমি যদি এ অভিযান পেয়ে যাই এবং জিহাদ করে শহীদ হতে পারি তাহলে এমনটিই করব। আর যদি জীবিত ফিরে আসি তাহলে আমি মুক্ত স্বাধীন আবু হুরায়রা হয়ে যাব। আল্রাহ আমাকে দোযখের আগুন থেকে মুক্ত করে দিবেন। (মাসনাদে আহমাদ,হাদিস-৮৮০৮, খ-৯ পৃষ্ঠা-১১)
হযরত আবু হুরায়রা আরও বর্ণনা করেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ওয়াদা নিয়েছিলেন।আমি যদি এ অভিযান পেয়ে যাই আহলে আমি যেন আমার জান-মাল এতে ব্যয় করি। আর যদি আমি এ যুদ্ধে নিহত হই তাহলে সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদরুপে পরিগনিত হব। আর যদি জীবিত ফিরে আসি তাহলে আমি জাহান্নাম থেকে মুক্ত আবু হুরায়রা হয়ে যাব। (মাসনাদে আহমাদ,হাদিস-৭১২৮, খ-৬ পৃষ্ঠা-৫৩৩, সুনানে কুবরা, ইমাম নাসায়ী হাদিস ২/৪৩৮৩ খ-৩ পৃষ্ঠা-২৮)
আলোচ্য হাদিস সমূহে এন্টি ভারত মুসলিমের মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ যে মুসলিম ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিহত হবে সে হবে শ্রেষ্ঠ শহীদ। আর যে মুসলিম লড়াই করে জীবিত ফিরে আসবে, সে হবে জাহান্নাম হতে মুক্ত স্বাধীন মুসলিম। এ থেকে আরও প্রতিয়মান হয় যে, যদি কোন মুসলিম ভারতপন্থিদের হাতে নিহত হয় সেও শ্রেষ্ঠ শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। আর যদি কোন মুসলিম কোন ভারতপন্থির হাতে নির্যাতিত হবে, জখমী হবে তাহলে সেও জাহান্নাম হতে মুক্তি লাভ করবে ইনশাআল্লাহ ।
রাসূল (স.) বলেছেন খোরাসান অঞ্চল থেকে কলেমা সম্বলিত পতাকাবাহী এক দল এই যুদ্ধ শুরু করবে। পূর্ব দিকে আমরাও ও পড়ি এর মধ্যে , একসময় খোরাসান আমাদের অন্তর্ভুক্ত ছিল যা এখন নেই [ যখন বাংলাদেশ পাকিস্থানের অধীনে ছিল]।
আল্লাহ্ আমাকে ও আমাদের জীবিত রাখেন যেন ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার তৌফিক দান করেন।
কেননা আল্লাহ বলেছেন,,
তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য তোমরা যথাসাধ্য সাজ-সরঞ্জাম শক্তি ও ঘোড়া প্রস্ত্তত রাখবে। এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের ভীত-সন্ত্রস্ত্র করে দেবে। [সূরা আনফাল ৬০]
















